ফিলিস্তিন-ইসরায়েল যুদ্ধের শেষ দিন আরব দেশগুলো পর্যন্ত নীরব ছিল কেন বিস্তারিত।

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যকার ঐক্য ও সংহতি এবং প্রতিরোধ আন্দোলনে তাদের দৃঢ় মনোবলের কারণে তারা ইহুদিবাদী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিশাল বিজয় অর্জন করেছে।

তিনি শনিবার তেহরানে এক বক্তৃতায় বলেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সংঘর্ষে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী এমনকি ১৯৪৮ সালে দখলীকৃত ভূখণ্ডে (ইসরাইলে) বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে আমরা অভূতপূর্ব এক ঐক্য ও সংহতি দেখতে পেয়েছি। আমরা এ বিজয়ে তাদের অভিনন্দন জানাই।

প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ মানুষও সাম্প্রতিক সংঘর্ষের সময় ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন ও সংহতি ঘোষণা করেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে কিছু পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী শ্রোতের বিপরীতে গিয়ে দখলদার ইহুদিবাদী ইসরায়েলের পক্ষ নিয়েছে।
তিনি বলেন, বেশিরভাগ মুসলিম দেশ এই সংঘর্ষে

ইতিবাচক ভূমিকা ও পক্ষ নিয়েছে। কিন্তু আরব বিশ্বের জনগণ কিছু সুনির্দিষ্ট আরব দেশের পক্ষ থেকে আরও সক্রিয় ভূমিকা আশা করেছিল। কিন্তু এসব দেশ গাজাবাসীর ওপর ইসরাইলের ভয়াবহ পাশবিক হামলার শেষ দিন পর্যন্ত পরিপূর্ণ নীরবতা অবলম্বন করেছে।

হাসান রুহানি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণ প্রতিরোধ আন্দোলনের মাধ্যমে বিজয় হয়েছে। তারা এমন এক শত্রুর বিরুদ্ধে বিজয়ী হয়েছে যার কাছে রয়েছে সর্বাধুনিক অস্ত্র এবং যার প্রতি রয়েছে বিশ্বের বড় শক্তিগুলোর প্রকাশ্য সমর্থন। ফিলিস্তিনিদের এবারের বিজয়ে ইসরায়েলের দুর্বল দিকগুলো স্পষ্ট হয়ে গেছে এবং এর ফলে ভবিষ্যতের যেকোনো সংঘাতে ইহুদিবাদীরা আরও বড় পরাজয়ের শিকার হবে।

সূত্র: পার্সটুডে

মোঃ মাহফুজ মিয়া

মোঃ মাহফুজ মিয়া বাংলাদেশের অন্যতম শিক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট পড়ালেখা ২৪.কম এর প্রতিষ্ঠাতা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Back to top button