নিজ ইমানকে শক্ত করে ধরে রাখুন।

নিজ ইমানকে শক্ত করে ধরে রাখুন  ফিলিস্তিন এর জন্য দুঃখ হয় অনেক, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, জিয়োনিস্ট-রা আল-আকসা দখল করবেই করবে; আজকে না হয়, কালকে বা এক বছর পরে হলেও। কারণ, যতদিন তারা সমস্ত ফিলিস্তিন ও আল-আকসা দখলে নিবে না, ততদিন তাদের আল-মাসীহ (আদ-দাজ্জাল) আসবে না। আর এটা আমরা যেমন বিশ্বাস করি, তারা নিজেরাও বিশ্বাস করে।

আরো একটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হল, তারা ইসরাইলে Garqad tree plantation নামে একটা প্রজেক্ট চালু করেছে কয়েক বছর আগে (গুগলে সার্চ দিলেই পাবেন)। Garqad নামে এই গাছের কথাও নবীজি ﷺ এর মুসলিম vs ইহুদীদের মধ্যকার শেষ যুদ্ধ নিয়ে হাদীসে এসেছে। হাদীস অনুসারে, জিয়োনিস্টরা এই গাছকে ব্যবহার করবে সেই যুদ্ধের সময়; বর্তমানে এই কারণেই তারা এই ট্রি প্লান্টেশন প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে। মোদ্দা কথা, তারা শেষ জমানার সবচেয়ে বড় প্ল্যান নিয়ে আগাচ্ছে৷ তারা আল-আকসা দখলে নিবে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে তারা হবে এই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হর্তাকর্তা। এরপর তাদের আল-মাসীহ আদ-দাজ্জাল আসবে এই জেরুজালেম থেকেই। তারপর, আমাদের আল-মাসীহ ঈসা ইবন মারিয়াম আঃ আসবেন সিরিয়ার দামেস্কাস এর দিক থেকে, ইহুদী vs মুসলিম শেষ যুদ্ধ হবে, আল মাসীহ আদ দাজ্জাল নিহত হবে, জিয়োনিস্টদের হাত থেকে সিরিয়া-প্যালেস্টাইন স্বাধীন হবে, খিলাফাহ আসবে, কিয়ামত হবে।

শুনতে অবাক লাগলেও, তাদের প্ল্যান আর আমাদের হাদীসে দেয়া নবীজি ﷺ প্রেডিকশন এখন পর্যন্ত হুবহু একই রকমভাবে আগাচ্ছে। বর্তমানে আল্লাহ তাদের অবকাশ দিচ্ছেন, তাদেরকে সর্বোচ্চ ক্ষমতা আর পূর্ণ রাজত্বও তিনি দিবেন। তবে তা কেবল সেইদিন পর্যন্ত, যেদিন ঈসা আঃ ও ইমাম মাহদীর হাতে তাদের চূড়ান্ত পতন হবে। Moral of the story is, the stage for the FINAL & BIGGEST showdown is being set! সিরিয়া-ফিলিস্তিন একদিন স্বাধীন হবেই, আল-আকসাও আবার আমাদের হবে।

ততদিন পর্যন্ত, আল্লাহ যেন ওখানকার মানুষদের সবর, সাহস, মনোবল আর তাওয়াক্কুল এভাবেই রক্ষা করেন। আর সাথে যেন আমাদের ঈমান বাড়িয়ে দেন, আল মাসীহ আদ-দাজ্জালের ফিতনামুক্ত রাখেন, ঈসা আঃ এর দলের সাথে যুক্ত হওয়ার তাওফীক দেন। আমীন! 🤍 আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষই জানেই না কেনো মুসলমানদের নিকট মসজিদুল আকসা এত্তোটা গুরুত্বপূর্ণ?? যেখানে ইহুদিরা সমগ্র ফিলিস্তিনই দখল করে নিছে, সেখানে মাত্র ১৪ একর জায়গার জন্য কেনো এত্তো অত্যাচার নির্যাতনের পরেও ফিলিস্তিনের মুসলমানরা বারবার মসজিদের দিকে ধাবিত হচ্ছে!!

১. এখানেই রয়েছে হযরত ইব্রাহিম এবং মূসা (আ) সহ অসংখ্য নবী রাসুলের কবর।

২. এখানেই আল্লাহর মহানবী রাসুল (সা) সকল নবী রাসুলদের এবং ফেরেস্তাদেরকে নিয়ে নামাজ পড়ছিলেন।সেই জামাতের ইমাম ছিলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এবং এই জামাতে মতান্তরে প্রায় ২৪ হাজার নবী রাসুল ছিলেন।

৩. এখান থেকেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বোরাকে করে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করার উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিলেন।

৪. এই মসজিদের নির্মাণের সাথে জড়িয়ে আছে হজরত আদম এবং সুলাইমান আলাইহিসসালাম এর নাম।

৫. এর সাথে জড়িয়ে আছে খলিফা হজরত উমর (রা)এর সেই বিখ্যাত উটের বিরল ঘটনা।

৬. এখানের সাথেই জড়িয়ে আছে দ্যা গ্রেট সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবীর অসংখ্য স্মৃতি।

৭. এই মসজিদের পাথরের গায়ে লেখা রয়েছে সম্পূর্ণ সূরা ইয়াসিন।

৮. এই মসজিদের জন্য জ্বীনদের দ্বারা পাথর উত্তোলন করা হয়েছে গহীন সাগরের তলদেশ থেকে।যা কিনা কোন মানুষের পক্ষে অসম্ভব!!!

৯. এই মসজিদে ২ রাকাআত নামাজ আদায় করার জন্য একজনের আমল নামায় ২৫ হাজার রাকাআত নামাজের সমপরিমাণ সওয়াব লিখা হবে।

১০. পবিত্র কোর আনের সবচেয়ে মধ্যখানেই মহান আল্লাহ এই মসজিদ নিয়ে আলোচনা করছেন।

তোমাদের কেউ যদি কোনো খারাপ কাজ বা বিষয় দেখে তাহলে সে যেন হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করে দেয়, যদি তা করতে অপারগ হয় তাহলে যেন মুখ দিয়ে তার প্রতিবাদ করে, যদি তাও করতে সক্ষম না হয় তাহলে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে, আর এটাই হচ্ছে ঈমানের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বলতম স্তর। ’ (বুখারি, হাদিস নং: ১৯৪)

#PrayForPalestine

#palestinelivesmatter

#Free_Palestine

#Our_Aqsa

#Save_Aqsa

#SavePalestine

#WeStandWithPalestine

#ourAqsa #FreePalestine

#SaveMuslims

মোঃ মাহফুজ মিয়া

মোঃ মাহফুজ মিয়া বাংলাদেশের অন্যতম শিক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট পড়ালেখা ২৪.কম এর প্রতিষ্ঠাতা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Back to top button