নারী পুলি’শের গো’পন ভিডিও ফাঁ’স বিস্তারিত।

নারী পুলিশের গোপন ভিডিও ফাঁস, প্রেমিক বললেন ২০ বছর জেল খাটলেও তোমাকে বিয়ে করবো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ খুলে এক নারী পুলিশ সদস্যের গো’পন ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা মা’ম’লায় হৃদয় খান নামের এক যুবককে গ্রে’ফ’তা’র করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, ২৫ বছর বয়সী হৃদয়কে শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার ফতুল্লা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রে’ফ’তা’র করা হয়। বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাকে এক দিনের রি’মা’ন্ডে নেয়া হয়েছে।

এর আগে ওই নারী ক’ন’স্টেবল বৃহস্পতিবার রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হৃদয়ের বিরুদ্ধে মা’ম’লা করেন। ওই নারী কনস্টেবল কক্সবাজার পুলিশ লাইনসে কর্মরত। তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়। নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম জানান, মামলায় গ্রেফতার হৃদয় খানকে রিমা’ন্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আরও পড়ুন : দামে কম মানে ভালো, কে এই কাকলী। হঠাৎ করেই নেটিজেনদের মুখে মুখে ফিরছে এটি নাম- কাকলী। ‘দামে কম মানে ভালো’-এই ট্যাগলাইন সংযুক্ত একটি আসবাবপত্র তৈরির প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন থেকে নামটি ছড়িয়েছে। নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমেও সংবাদের শিরোনাম হয়েছে কাকলী ফার্নিচার।

প্রায় ২০ বছর আগে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা চৌরাস্তার শ্রীপুর সড়কে ছোট্ট পরিসরে কাঠের ফার্নিচারের ব্যবসা শুরু করেন মো. আবুল কাশেম। তিনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করেন মেয়ে কাকলীর নামে। বর্তমানে ব্যবসা দেখাশোনা করছেন আবুল কাশেমের ছেলে সোহেল রানা। এ প্রসঙ্গে রানা বলেন, ‘অল্প পুঁজি নিয়ে বাবা ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসা ছোট-বড় যাই হোক, নামকরণ করা হয় সাধারণত প্রিয় বস্তু বা মানুষের নামে। আমার বাবাও আমাদের একমাত্র আদরের ছোট বোন কাকলীর নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করেছিলেন।’

কথাপ্রসঙ্গে জানা যায়, কাকলীর বিয়ে হয়েছে প্রায় ২০ বছর আগে। তার ঘরে দুটি সন্তান। অপূর্ব (১২) ও আনমুল (৩)। বর্তমানে কাকলীর স্বামী আমান উল্লাহকে সঙ্গে নিয়েই ফার্নিচারের ব্যবসা পরিচালনা করছেন সোহেল রানা। গাজীপুর এবং ময়মনসিংহে কাকলী ফার্নিচারের ৩টি শাখা রয়েছে।

সোহেল রানা নিজেই প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি বিজ্ঞাপন তৈরি করেন। বিজ্ঞাপনে দেখা যায়, স্বামী স্ত্রীকে কাকলী ফার্নিচারের বিভিন্ন সুবিধার কথা বর্ণনা করছেন। অন্যদিকে, স্ত্রী ‘আর, আর’ প্রশ্ন করে একের পর এক বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জেনে নিচ্ছেন। এ ছাড়া দুটি ছোট মেয়ে প্রায় রোবটের মতো ভঙ্গিতে সোফার উপর লাফাচ্ছে আর বলছে, ‘দামে কম, মানে ভালো কাকলী ফার্নিচার’।

বিজ্ঞাপনটি প্রচারের পর কলকাতায় প্রথমে ট্রল হয়। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিক কাকলী ঘোষ দস্তিদার হন এর প্রথম শিকার। এরপর মিস্টার বিন, এমনকি জনপ্রিয় ধারাবাহিক সিআইডি এবং সৃজিত মুখার্জির বিভিন্ন সিনেমার দৃশ্য ব্যবহার করে তৈরি করা হয় মিম। ভাইরাসের মতোই নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে সেগুলো। অনেকেই এর নাম দেন কাকলী ভাইরাস!

Mahfuz Mia

মাহফুজ মিয়া বাংলাদেশের অন্যতম শিক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট পড়ালেখা ২৪.কম এর প্রতিষ্ঠাতা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Back to top button