খুবই কম আক্রান্ত হচ্ছে ভ্যাকসিন নেওয়া ব্যক্তিরা।

ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয়ের মধ্যেই বেশ ইতিবাচক তথ্য দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তারা বলেছে, ভ্যাকসিন নিয়েও আক্রান্তের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তবে এই সংখ্যা ‘খুবই কম’।বুধবার এক প্রতিবেদনে একথা জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের (আইসিএমআর) মহাপরিচালক বলরাম ভরগাভা বলেন,  প্রতি ১০ হাজার টিকাগ্রহীতার মধ্যে ২ থেকে ৪ জন নতুন করে করোনা আক্রান্তহয়েছেন।তিনি বলেন, এই সংখ্যা খুবই খুবই নগণ্য। আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই।

কর্তৃপক্ষের তথ্যানুযায়ী, যারা ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন তাদের মধ্যে মাত্র ০.০৪ শতাংশ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দেশজুড়ে ৯৩ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৬ জন এই ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন, আক্রান্ত হয়েছেণ ৪ হাজার ২০৮ জন। দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণকারীদেরও আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এমনই।

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত ও সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের গ্রহণকারীদের আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা আরও কম।
যারা এই ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে আক্রান্তের হার মাত্র ০.০২ শতাংশ।

দেশটিতে ১০ কোটি ৩ লাখ ২ হাজার ৭৪৫ জন অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন। প্রথম ডোজ নেওয়ার পর তাদের মধ্যে ১৭ হাজার ১৪৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।ভারতে এই ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৫৭ লাখ ৩২ হাজার ৭৪৫ জন। তাদের মধ্যে ৫ হাজার ১৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। যা .০৩ শতাংশ।

ভারত সরকার বলছে, এই সংখ্যাই প্রমাণ করে ভ্যাকসিন নিরাপদ। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও মানুষকে ভ্যাকসিন নিতে হবে। বাংলাদেশেও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের প্রয়োগ চলছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে এই ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন ৫৭ লাখের বেশি মানুষ,  আর ১৬ লাখের বেশি মানুষ নিযেছেন দ্বিতীয় ডোজ।

মোঃ মাহফুজ মিয়া

মোঃ মাহফুজ মিয়া বাংলাদেশের অন্যতম শিক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট পড়ালেখা ২৪.কম এর প্রতিষ্ঠাতা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Back to top button