কোভিড-১৯ ঝুঁকি কমানো কঠিন উপসর্গহীনদের চিহ্নিত করা না গেলে I

কোভিড-১৯ ঝুঁকি কমানো কঠিন উপসর্গহীনদের (Asymptomatic) চিহ্নিত করা না গেলে ! কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি (Hygiene) মানার পাশাপাশি টিকা দেওয়ার হার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য (Hygiene) বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন। তিনি বলেন,জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি মাসে কোভিড-১৯ ঊর্ধ্বগতি চলছিল। মার্চ মাস থেকে করোনার সংক্রমণ (Infection) অনেকগুণ বেড়ে যায়। মার্চের শেষ সপ্তাহে যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন, তারা ধীরে ধীরে জটিল Complex পরিণতিতে যাচ্ছে। কাজেই দুই সপ্তাহ আগে সরকারি (Government) যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, তার প্রভাব Effect দেখতে পাব আগামী সপ্তাহে।

সংক্রমণটা (Infection) স্থিতিশীল হয়ে আসবে। আর এখন যাতায়াত নিয়ন্ত্রণের Control যে প্রভাব তা আমরা দেখতে পাব দু’সপ্তাহ পরে। তখন করোনার সংক্রমণটা (Infection) ধীরে ধীরে নামতে শুরু করতে পারে। আর মৃত্যুর (Death) সংখ্যার প্রভাব পড়বে আরও দু’সপ্তাহ পরে। সে পর্যন্ত মৃত্যুর Death হার বাড়তে পারে। করোনার সংক্রমণটা (Infection) স্থিতিশীল হচ্ছে বলে ধারণা করছি। এর কিছু কিছু লক্ষণ Symptoms আমরা দেখতে পাচ্ছি। শনাক্তের Identify হার ২০% এর কাছাকাছি থাকছে।

জনস্বাস্থ্য (Public health) বিশেষজ্ঞরা বলছেন করোনার উপসর্গহীন মানুষদের চিহ্নিত না করা গেলে করোনা সংক্রমণের (Infection) ঝুঁকি কমানো কঠিন হবে। করোনাভাইরাসে কোভিড-১৯ আক্রান্ত (Infection) উপসর্গহীন মানুষের উদাসীনতার কারণে অন্যরা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন। এর ফলে বেড়ছে সংক্রমণ Infection বেড়ছে মৃ ত্যু।বুধবার থেকে সারা দেশে কঠোর লকডাউন কার্যকরের দিনই করোনায় ৯৬ জনের মৃত্যুর Death খবর এসেছে। দেশের ইতিহাসে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় এত মানুষের মৃত্যু Death কখনো হয়নি।

ঢাকা মেডিকেল Medical কলেজ হাসপাতালের পরিচালক কর্নেল মো. নাজমুল হক প্রথম আলোকে বলেন,মানুষকে বোঝানো যাচ্ছে না যে, কোভিড-১৯  আক্রান্ত (Infection) হয়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে বৃদ্ধদের। মৃত্যুর (Death) হারও তাদের বেশি। যিনি বৃদ্ধ তিনি তো ঘরের HOME বাইরে বের হচ্ছেন না। তাহলে তিনি কীভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন? এই জিনিসটা কিন্তু মানুষ বোঝে না। আমরা অনেকে বলি, নিম্ন আয়ের মানুষ, খেটে খাওয়া মানুষ তারা তো সংক্রমিত (Infection) হচ্ছে না।তাদের মৃত্যুর হার কম। কিন্তু ব্যাপারটা কি তাই? ব্যাপারটা হচ্ছে, যারা খেটে খাওয়া মানুষ, যারা বয়সে তরুণ, তারা করোনায় সংক্রমিত (Infection) হলেও উপসর্গ থাকে না।

জনস্বাস্থ্য (Public health) বিশেষজ্ঞ রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরামর্শক মুশতাক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন,বুধবার থেকে কঠোর লকডাউন কার্যকরের প্রভাব পড়বে আরও তিন সপ্তাহ পরে। যে কোনো স্বাস্থ্যগত ব্যবস্থা সংক্রমণের (Infection) পরিস্থিতি বোঝা যায় দু সপ্তাহ পরে।

যারা করোনায় সংক্রমিত (Infection) হয়ে জটিল অবস্থায় আক্রান্ত  হয়, করোনায় সংক্রমিত (Infection) হওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় তারা আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) যায়। বুধবার যে ৯৬ জন মারা (Death) গেছেন, যারা তিন সপ্তাহ আগে করোনায় সংক্রমিত (Infection) হয়েছিলেন। তখন তো করোনা ঠেকাতে কোনো পদক্ষেপ ছিল না।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা  দিয়ে আছে দেশের অন্যতম বড় সরকারি (Government) হাসপাতাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। বর্তমানে এই হাসপাতালে ৭৫০ জন করোনা রোগী ভর্তি আছেন। মৃত্যুর (Death) হার বেড়ে যাওয়ার ব্যাপারে আক্ষেপের সুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বলেন,মানুষজন করোনায় আক্রান্ত হলেও তারা বিশ্বাস করতে চান না যে তার করোনা হয়েছে।
ফলে প্রথমদিকে (At first) পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন না তাঁরা। একপর্যায়ে শারীরিক পরিস্থিতি যখন খারাপ হয়ে আসে, তখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেন, করোনা পজিটিভ। তত দিনে অনেক দেরি হয়ে যায়। প্রথমদিকে করোনার সামান্যতম লক্ষণ দেখা দিলে করোনার টেস্টটা করে ফেলতে হবে।

যদি পরীক্ষায় (Test) পজিটিভ আসে, তাহলে পর্যাপ্ত চিকিৎসা নিতে হবে। সেটা বাসায় বসে নিতে পারেন, দরকার হলে হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নেবেন। যদি অক্সিজেনের লেবেল ৯৩ এর নিচে নেমে যায়, তখনই যদি রোগী হাসপাতালে চলে আসেন, তাহলে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা পাওয়াটা সম্ভব।

করোনায় মৃত্যুর (Death) হার বেড়ে যাওয়ার জন্য মানুষের অসচেতনতা ও সংক্রমণের (Infection) শুরুতে অবহেলাকে দায়ী করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক। কর্নেল নাজমুল হক প্রথম আলোকে বলেন, করোনা রোগীকে সময়মতো অক্সিজেন দেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। অক্সিজেন দেওয়ার পরও যখন কিছুতেই কোনো কাজ না হয়, তখন রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অনেকে ভালো হয়ে যাচ্ছেন।

অনেকে মারাও (Death) যাচ্ছেন। করোনা রোগী আমাদের কাছে এমন সময় আসেন, তখন সর্বাত্মক চেষ্টা করলেও কাঙ্ক্ষিত ফলাফলটা পাওয়া যায় না। করোনায় সংক্রমিত (Infection) হওয়ার পর প্রথমদিকে যদি রোগী হাসপাতালে আসেন, তাহলে কিন্তু অনেক ভালো হয়।’করোনায় মৃত্যুর (Death)হার কিছুটা বাড়তে পারে বলে মনে করেন মুশতাক হোসেন। তিনি বলেন,লকডাউন কার্যকরের তৃতীয় সপ্তাহের দিকে হয়তো করোনার সংক্রমণ (Infection) ও মৃত্যুর (Death)হার কমে আসতে পারে।

সামনে (In front) দুটো ঈদ আছে, খুবই ঝুঁকিপূর্ণ সময়। দুটো ঈদ পার হয়ে গেলে হয়তো সংক্রমণ (Infection) ও মৃত্যুর Death হার কমতে থাকবে। তবে টিকা নেওয়ার হার সন্তোষজনক নয়।করোনার সংক্রমণ (Infection) রোধে স্বাস্থ্যবিধি মানার পাশাপাশি টিকা দেওয়ার হার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন।

মার্চের শেষ সপ্তাহে যারা আক্রান্ত (Infection) হয়েছিলেন, তারা ধীরে ধীরে জটিল পরিণতিতে যাচ্ছে। কাজেই দুই সপ্তাহ আগে সরকারি (Government) যে পদক্ষেপ Test নেওয়া হয়েছিল, তার প্রভাব দেখতে পাব আগামী সপ্তাহে।সংক্রমণটা (Infection) স্থিতিশীল হয়ে আসবে। আর এখন যাতায়াত নিয়ন্ত্রণের যে প্রভাব তা আমরা দেখতে পাব দু’সপ্তাহ পরে। তখন করোনার সংক্রমণটা (Infection) ধীরে ধীরে নামতে শুরু করতে পারে। আর মৃত্যুর (Death) সংখ্যার প্রভাব পড়বে আরও দু’সপ্তাহ পরে। সে পর্যন্ত মৃত্যুর (Death)হার বাড়তে পারে। করোনার সংক্রমণটা স্থিতিশীল হচ্ছে বলে ধারণা করছি। এর কিছু কিছু লক্ষণ আমরা দেখতে পাচ্ছি।

 

মোঃ মাহফুজ মিয়া

মোঃ মাহফুজ মিয়া বাংলাদেশের অন্যতম শিক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট পড়ালেখা ২৪.কম এর প্রতিষ্ঠাতা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Back to top button