অবস্থা স্থিতিশীল খালেদা জিয়ার..ফখরুল।

রাজধানীর একটি হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুই দফায় পরীক্ষায় তাঁর করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে।

মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল তাঁর শ্বাসকষ্ট হওয়ায় তাঁকে সিসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। এখনো সেখানে আছেন। তবে এখন তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে তাঁর চিকিৎসকেরা বলেছেন। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চ্যুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, সরকারের ‘ফ্যাসিস্ট আচরণ’ সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে শ্রমিক এবং যাঁরা নিজেদের স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করছেন, তাঁদের। এ ক্ষেত্রে সম্প্রতি বাঁশখালীতে গুলিতে নিহত শ্রমিকদের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

করোনাভাইরাসে শ্রমিকদের জন্য সরকারি প্রণোদনা বরাদ্দ রাখা হয়নি বলে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, এ ক্ষেত্রে মালিক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, আওয়ামী লীগের নেতারা সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। দিনমজুর, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সাহায্য করা হচ্ছে না।

বিএনপির মহাসচিব দাবি করেন, সরকারি চাকরিতে যাঁরা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাঁদের বাদ দেওয়া হয়েছে অথবা অন্যভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, সরকার লকডাউন দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলে করছে ‘ক্র্যাকডাউন’। হেফাজতে ইসলাম ও ছাত্রনেতাদের গ্রেপ্তার করতে এই লকডাউন। পুরো জাতি জিম্মি হয়ে গেছে। এখানে অগ্রণী ভূমিকার রাখতে হবে তরুণ ও শ্রমিকদের।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, তারেক রহমান যাতে দেশে ফিরতে পারেন, দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে যাতে মামলা তুলে নেওয়া হয় এবং শ্রমিক শ্রেণির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, সে জন্য দেশে আন্দোলন দরকার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান। সঞ্চালনায় ছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম।

মোঃ মাহফুজ মিয়া

মোঃ মাহফুজ মিয়া বাংলাদেশের অন্যতম শিক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট পড়ালেখা ২৪.কম এর প্রতিষ্ঠাতা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Back to top button